মিছিল করেই যেন একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের সব সিনেমাহল। অন্ধকার ঘরে অনেক মানুষ একসাথে বসে সিনেমা দেখার সংস্কৃতিও হয়তো রূপকথা হয়ে যাবে অচিরেই। সিনেমাহল থেকে যাবে কেবল কিছু পুরানো মানুষের স্মৃতিতে। মানতে কষ্ট হলেও এই সত্যটাই এখন আপাত বাস্তব। অথচ মাত্র বছর বিশেক আগেও কত প্রাণবন্তই না ছিল এই বিনোদন কেন্দ্রগুলো! এ যাবৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া আর নিকট ভবিষ্যতে বন্ধ হওয়ার তালিকায় থাকা সিনেমাহলগুলো টিকাতে না পারলেও অন্তত এগুলোর স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখার একটা উপায় খুঁজছিলাম। কোনো বস্তুগত লাভ-লোকসান নয়, স্রেফ হারিয়ে যাওয়া কোন প্রিয়জনের স্মৃতি সংরক্ষণের মতো একটা আবেগের জায়গা থেকেই তাগিদটা পাচ্ছিলাম।
সিনেমাহল জাদুঘর
২০১৯-এর জুলাই মাস। আমাদের সীমিত আসনের সিনেমা থিয়েটার ‘সিনেস্কোপ, নারায়ণগঞ্জ’-এর নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে। খবর পেলাম নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জোড়া সিনেমাহল ‘আশা-মাসার’ ভেঙে ফেলা হচ্ছে। ছুটে গেলাম সেখানে, সমানে হাতুড়ি শাবল চলছে। বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারলাম না, অনেক স্মৃতির আনাগোনা